Kolkata Port Encroachment: এতদিন ধরে জবরদখল হচ্ছিল! কলকাতা বন্দর নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু | Big Decision on Kolkata Port! CM Suvendu Adhikari Vows Crackdown on Encroachment
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।Image Credit: TV9 বাংলা
কলকাতা: ভোল বদলাচ্ছে রাজ্যর। বদলাচ্ছে গঙ্গার ঘাট গুলির চেহারা। আজ কলকাতা ঘাট সংস্কার নিয়ে আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। একইসঙ্গে কলকাতা বন্দরে (Kolkata Port) যে দুর্নীতি, জবরদখল ও অনৈতিক কাজ হয়েছে এতদিন, তা নিয়েও সরব হলেন তিনি।
এ দিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “বাগবাজার ঘাট, আহিরিটোলা ঘাট, শোভাবাজার ঘাট, মল্লিক বাজার, বাবুঘাট, রামকৃষ্ণপুর ঘাট এবং বান্দা ঘাটে সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন হচ্ছে। দুটি ঘাটের সৌন্দর্যায়ন ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে। বাকি চারটিরও কাজ হচ্ছে। দুর্গাপুজো পর্যন্ত টার্গেট দেওয়া হয়েছে। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ দেব ও মা সারদা দেবীর ঘাটের উন্নয়ন হবে। বিকাশ ভি, বিরাসত ভি- প্রধানমন্ত্রীর এই মন্ত্রেই চলছি।”
তিনি জানান, জাতীয় জলপথের অধীনে ২৫টি জেটি তৈরি হবে। ২ বছর ধরে ইনল্যান্ড ওয়াটার অথারিটি পরিচালনা করবে। তারপর রাজ্যের হাতে আসবে। এই নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এই সরকারের এক মাস পূর্ণ হয়নি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অনেক বিষয়ে সমাধান করা হয়েছে। এর জন্য তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল ও শান্তনু ঠাকুরকে ধন্যবাদ জানান।
মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বলেন, “কলকাতা বন্দর এলাকায় জবরদখল করা বসতি, বিপজ্জনক বাড়িতে বসবাস নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা বলেছি প্রধানমন্ত্রী হাউসিং আর্বান ও কেএমসি-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পোর্ট যদি আমাদের জমি দেয়, তাহলে যেসব সাধারণ বসতি রয়েছে, তাদের ছোট ছোট ফ্ল্যাট তৈরির ব্যবস্থা করা হতে পারে।”
তিনি বলেন, “আমার তরফে একটি প্রশাসনিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে কলকাতা বন্দরে অবৈধকাজ, এক শ্রেণির সিন্ডিকেট কাউন্সিলারদের নেতৃত্বে যা হত, তা বন্ধ করা হবে। এটা হত কারণ কলকাতা পুলিশ আর সিআইএসএফ ও পোর্ট অথারিটির অবস্থান উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর ছিল। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রতি মাসে কেএমসি, পোর্ট, কাস্টমস, পুলিস, সিআইএসএফ যৌথ বৈঠক করে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করবে এবং অবৈধ কাজ বন্ধ করবে।”
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “আগামিদিনের সমস্ত কাজ, মনিটরিং ও দায়িত্বের জন্য নোডাল অফিসার ও ক্যালেন্ডার বানানো হয়েছে। ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কাজ করার জন্য সকলে দায়বদ্ধ থাকবে। এর জন্য একজন প্রজেক্ট ডিরেক্টর পদ তৈরির জন্য মুখ্য সচিবকে প্রস্তাব দিয়েছি।”