CPIM: লক্ষ্মীর ভান্ডারে টাকা বৃদ্ধিতে কি চাপে সিপিএম? রাজ্য কমিটির বৈঠকে নেতারা বললেন… – Bengali News | TMC may gain from Lakshmir Bhandar in assembly election, some CPIM leaders say during their state committee meeting
রাজ্য বাজেট নিয়ে সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকে কী আলোচনা হল?Image Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে কি ‘মাস্টারস্ট্রোক’ দিয়েছে তৃণমূল সরকার? লক্ষ্মীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বাড়ানো এবং যুবসাথী প্রকল্প কি ভোটে সুবিধা পাইয়ে দেবে তৃণমূলকে? সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকের আলোচনায়ও উঠে এল এই প্রসঙ্গ। আর সেখানে কয়েকজন সিপিএম নেতার স্বীকার করলেন, রাজ্য বাজেটে যেভাবে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেটা ভোটের আগে বামেদের চাপে ফেলেছে।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে সিপিআইএমের দু’দিনের রাজ্য কমিটির বৈঠক। সেখানে বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের বক্তব্যে উঠে আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন সরকারের বাজেটের প্রসঙ্গ। লক্ষ্মীর ভান্ডারে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি নিয়ে প্রচার শুরু করেছে তৃণমূল। আবার বেকারকে মাসে ১৫০০ টাকা দিতে যুব সাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছে। এপ্রিল থেকে যুব সাথী প্রকল্পে দেড় হাজার টাকা দেওয়া হবে। যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম পূরণে জেলা জেলায় লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার সিপিএমের রাজ্য কমিটির প্রথম দিনের বৈঠকে যুব সাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডারের বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রসঙ্গ উঠে আসে। সেখানে একাধিক সিপিএম নেতা বলেন, যুব সাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডারের বরাদ্দ বৃদ্ধি তাঁদের উপরে চাপ বাড়িয়েছে। তার ফলে তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে যাচ্ছে বলেও বৈঠকে কেউ কেউ মত দিয়েছেন।
এদিকে, প্রতীক উর রহমানের দল ছাড়ার ঘোষণা নিয়েও শোরগোল পড়েছে। তবে সিপিএমের রাজ্য কমিটির বৈঠকের প্রথম দিন প্রতীক উরকে নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি। প্রতীক উরের বিষয়ে উত্তরবঙ্গের এক নেতা রাজ্য কমিটির বৈঠকের প্রথম দিনে বলেন, এই নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। আবার একজন বলেছেন, গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রতীক উরকে নিয়ে সিপিএমের রাজ্য কমিটির দ্বিতীয় দিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এক্ষেত্রে, কিছুটা সময় নিয়ে এগোতে চাইছে সিপিআইএম। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, শুক্রবার রাজ্য কমিটির বৈঠকে শেষে সাংবাদিক সম্মেলন হবে। সেখানেই যা বলার বলবেন তিনি।
বৃহস্পতিবার প্রথম দিনের বৈঠকে জেলাওয়াড়ি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রাজ্য কমিটির বৈঠকে বলা হয়, ৮০ শতাংশ আসন চূড়ান্ত হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ জট রয়েছে শরিকদের সঙ্গে। এই জট কাটলেই প্রার্থী তালিকা তৈরি হয়ে যাবে।