Life After US Strikes: ট্রাম্পের ‘প্রেসিডেন্ট-হরণ’-এর পর কী অবস্থা ভেনেজুয়েলায় থাকা ভারতীয়দের? – Bengali News | Indian Community in Venezuela Faces Lockdown Like Conditions Amid Violence, Shortages and Fear
কারাকাস: গোটা দেশের জনসংখ্যা প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি। তবে এই মোট জনসংখ্য়ার মধ্য়ে ভারতীয়দের সংখ্য়া যেমন খুব একটা নয়, তেমনই আবার একেবারের মতো ফেলে দেওয়ার মতোও নয়। সেই কারণেই ভেনেজুয়েলায় থাকা ভারতীয়দের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লিও। রবিবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ‘ভেনেজুয়েলায় বসবাসকারী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সঙ্গে নয়াদিল্লির পাঠানো দূত যোগাযোগ রেখেছেন। প্রয়োজনে তাঁদের সহযোগিতা করতেও ভারত প্রস্তুত।’
শুক্রবার মধ্য়রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আকাশপথে হামলা চালায় মার্কিন বায়ুসেনা। রাতের অন্ধকারে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেদেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় ট্রাম্পের ডেল্টা ফোর্স। তারপর থেকেই ভেনেজুয়েলা জুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। মার্কিন সেনার হামলায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছে রাজধানীর একাংশ। একে দেশজুড়ে খাদ্যভাব, তার মধ্যে এমন টানাপোড়েন গোটা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
কারাকাসে বসবাসকারী সুনীল মলহোত্রা সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে সেই দেশের বর্তমান অবস্থার বিবরণ দিয়েছে। এই টানাপোড়েনের মাঝে ভেনেজুয়েলায় থাকা ভারতীয়দের কী অবস্থা তাও জানিয়েছেন তিনি। সুনীল জানিয়েছেন, রাস্তাঘাট একেবারে ফাঁকা, প্রাণভয়ে মানুষ নিজের ঘরের বাইরে পা রাখছেন না। এমনকি, খাবারের দোকানগুলিও বন্ধ, চলছে না কোনও গণপরিবহনও।
সুনীল আরও বলেন, ‘সুপারমার্কেটগুলো সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আশপাশের এলাকায় কতগুলো মুদির দোকান রয়েছে, তাতেও লম্বা লাইন। খাদ্য সামগ্রী কিনতে এক একটি দোকানে ভিড় জমিয়েছেন ৫০০ থেকে ৬০০ জন মানুষ। ওষুধের দোকানগুলিতেও একই দশা।’ তবে এই পরিস্থিতিতেও ভারতীয় দূতাবাস যে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে বলেই জানিয়েছেন সুনীল। এদিন তিনি বলেন, ‘কারাকাসে বসবাসকারী ভারতীয়দের সংখ্য়া খুব একটা নয়। আমাদের নিয়ে নয়াদিল্লির পাঠানো দূত একটি হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপ খুলে দিয়েছেন। তিনি সর্বক্ষণ সেই গ্রুপে আমাদের বিভিন্ন নির্দেশ ও সতর্কবার্তা পাঠাচ্ছেন।’