Pakistan Navy: স্যাটেলাইট ছবিতে ফাঁস হল পাকিস্তানের নৌ-সেনার 'অবস্থা' - Bengali News | Satellite images show pakistan navy running away to iranian border during operation sindoor - 24 Ghanta Bangla News
Home

Pakistan Navy: স্যাটেলাইট ছবিতে ফাঁস হল পাকিস্তানের নৌ-সেনার ‘অবস্থা’ – Bengali News | Satellite images show pakistan navy running away to iranian border during operation sindoor

Spread the love

অপারেশন সিদুঁরের আগে পাকিস্তানের নৌ-সেনার অস্বস্তির চিত্র প্রকাশ্যে আনল স্যাটেলাইট ছবি। আন্তর্জাতিক সংস্থা ম্যাক্সার কর্পোরেশনের সেই ছবিগুলির ওপেন সোর্স অ্যানালিসিসে উঠে এসেছে তিনটি বিস্ফোরক তথ্য।

প্রথমত, পাকিস্তানি সেনা গোয়েন্দারা করাচি নৌ-ঘাঁটিতে হাই-অ্যালার্ট জারি করে। আশঙ্কা ছিল, যেকোনও মুহূর্তে ভারত করাচিতে আঘাত হানতে পারে। নির্দেশ দেওয়া হয়, করাচি থেকে প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূরের গদ্বর বন্দরে সরিয়ে নিতে হবে যুদ্ধজাহাজ। সেই মতো তিন দফায় একাধিক যুদ্ধজাহাজ গদ্বরের উদ্দেশে রওনা দেয়।
দ্বিতীয়ত, করাচি থেকে গদ্বর যাওয়ার পথে ভারতীয় নৌ-সেনার হামলার ভয় ছিল পাকিস্তানের। তাই সিদ্ধান্ত হয়, যুদ্ধজাহাজগুলির সামনে ও পিছনে রাখা হবে পণ্যবাহী জাহাজ, যাতে ভারত বিভ্রান্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কৌশল কার্যত অবাস্তব।
তৃতীয়ত, গদ্বরে পৌঁছে স্পষ্ট হয়ে যায়, বন্দরে যুদ্ধজাহাজ লুকোনো সম্ভব নয়। প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো না থাকায় শেষমেশ চিনা পণ্যবাহী জাহাজের আড়ালে যুদ্ধজাহাজ লুকোনোর চেষ্টা করে পাক নৌ-সেনা। যদিও তাদের জানা ছিল, এভাবে প্রতিপক্ষকে ধোঁকা দেওয়া সম্ভব নয়।

অবসরপ্রাপ্ত ভাইস অ্যাডমিরাল সুরেশ বাঙ্গারা বলেন, “পণ্যবাহী বন্দর আর নৌ-সেনা ঘাঁটি এক নয়। সেখানে যুদ্ধজাহাজ লুকোনো সম্ভব নয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও পাকিস্তান সেনার এতটা অসহায় অবস্থা দেখিনি।”
স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা যায়, ৩ মে থেকে বেশ কয়েকদিন করাচি বন্দর একেবারেই ফাঁকা ছিল। নৌ-ঘাঁটিতেও কোনও জাহাজ দেখা যায়নি। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, পাকিস্তান নিশ্চিত হয়েছিল ভারতীয় নৌ-সেনা করাচিতে বড়সড় হামলা চালাতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের অপারেশন ট্রাইডেন্টে করাচিতে ভারতীয় নৌ-সেনার তাণ্ডবের ভূত এখনও তাড়া করে বেড়াচ্ছে পাকিস্তানকে। প্রমাণ মিলছে, এত বছর পরেও করাচিই পাকিস্তানের নৌ-সেনার নার্ভসেন্টার। আর সেখানে আঘাত এলে পাকিস্তান আজও কার্যত অক্ষম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *