Sandeshkhali: ‘এদের কাউকে আর বাঁচিয়ে রাখতে ইচ্ছা করে না’, সন্দেশখালির ঘটনায় নিন্দায় সরব বুদ্ধিজীবীরা – Bengali News | Sandeshkhali Chaos Intellectuals of Kolkata comments of burning issue of Sandeshkhali and allegation of local women

0

সন্দেশখালির ঘটনায় কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরাImage Credit source: TV9 Bangla

কলকাতা: সন্দেশখালির বুকে কী চলছে? শেখ শাহজাহান এখনও অধরা। এদিকে সেই সন্দেশখালির বুকে একের পর এক মারাত্মক অভিযোগ উঠে আসছে। এতদিন ধরে ভয়ে সিঁটিয়ে মুখ বন্ধ করে থাকা এলাকার মহিলার মুখ খুলতে শুরু করেছেন। অভিযোগ তুলছেন, তাঁদের উপর কী মারাত্মক অত্যাচার চলে এসেছে দিনের পর দিন ধরে। সন্দেশখালির ঘটনায় যখন তোলপাড় হচ্ছে গোটা রাজ্য রাজনীতি, যখন শিউরে উঠছেন বাংলার আমজনতা, তখন কোথায় শহরের বুদ্ধিজীবীরা? এমন মারাত্মক অভিযোগের পরও কেন এখনও তাঁদের রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে সরব হতে দেখা যাচ্ছে না? বুদ্ধিজীবীরা কী ভাবছেন সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে, খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করল টিভি নাইন বাংলা।

সন্দেশখালির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন লেখিকা বাণী বসু। টিভি নাইন বাংলাকে ফোনে কড়া সমালোচনার সুরে বললেন, ‘এগুলো শোনার পর, এদের কাউকে আর বাঁচিয়ে রাখতে ইচ্ছা করে না। এত ক্রোধের জন্ম এরা দিয়েছে, সেই ক্রোধের আগুনে এদের পুড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পুড়ে যাচ্ছে না। এদের সমস্ত অপকর্ম চালু রয়েছে। এটা আমাদের লজ্জা। এসব কীভাবে একটা সভ্য সমাজে এখনও চালু রয়েছে, তা আমি ভেবে পাই না।’

মুখ খুলেছেন চিত্রশিল্পী সমীর আইচও। তাঁর নিশানায় বুদ্ধজীবীদের একাংশই। বললেন, ‘আফশোসের সঙ্গে বলছি, কলকাতার বুদ্ধিজীবীরা এতটাই নির্লজ্জ হয়ে গেলেন, ব্যক্তিগত স্বার্থে বিক্রি হয়ে গেলেন শাসক দলের কাছে… তাতে আমাদের আন্দোলনের ধারকে অনেকটাই নষ্ট করে দিয়েছে।’

বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল টিভি নাইন বাংলার তরফে। অতীতে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদে মুখর হওয়া বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে তিনিও একজন। সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে কী ভাবছেন তিনি? এবারও কি তাঁরা রাস্তায় নামবেন? প্রতিবাদ করবেন? হরনাথ চক্রবর্তী অবশ্য বলছেন, ‘আমি তো একা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে পারব না। সবাইকে মিলে এগিয়ে যেতে হয়। আগেও সবাই মিলেই সেটা করেছিলাম। আমি আমার যে কোনও প্রতিবাদ সিনেমার মাধ্যমে তুলে ধরতাম। সন্দেশখালির যে সব ঘটনা সংবাদমাধ্যমে দেখছি, মহিলাদের যে মন্তব্যগুলি দেখছি, তা সত্যিই খুব দুঃখজনক। এটা না হওয়াই বাঞ্ছনীয়।’

যোগাযোগ করা হয়েছিল বিশিষ্ট নাট্য পরিচালক রূদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর সঙ্গেও। গোটা বাংলায় কী চলছে, তারই একটি চিত্র উঠে এসেছে সন্দেশখালিতে, মনে করছেন বাংলার বিশিষ্ট নাট্য পরিচালক। বললেন, ‘সব জায়গাতেই এরকম গোলমাল হচ্ছে। কোথাও নিজেদের মধ্যে গোলমাল হচ্ছে, কোথাও তিন-চারটে দলের মধ্যে গোলমাল হচ্ছে। সন্দেশখালি তারই একটা প্রতিফলন। সন্দেশখালির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক, কিন্তু এটা হওয়ারই ছিল।’

সন্দেশখালির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন অলসতা, কর্মহীনতা থাকে এবং পয়সা-কড়ির জন্য দু’নম্বরি করতে হয়ে, তখন অন্যান্যগুলিও চলে আসে। তার মধ্যে একটি হল মহিলা-সঙ্গ। যদি একটু দাপট দেখিয়ে পয়সা জোগাড় করা যায়, তাহলে আর একটু দাপট দেখিয়ে মেয়েদের কেন জোগাড় করা যাবে না? এরকমই একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সন্দেশখালিতে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed