Train-Students Death: একসঙ্গে সরস্বতী ঠাকুর বানানো হল না আর! হেডফোন খুঁজতে গিয়েই মর্মান্তিক ঘটনা – Bengali News | Two students died at train line as two trains hit in Medinipur

0

দুই ছাত্রের মৃত্যুImage Credit source: TV9 Bangla

কোলাঘাট: আর কয়েকদিন বাদেই সরস্বতী পুজো। নবম শ্রেণির ছাত্র নিজে হাতে ঠাকুর বানাতে পছন্দ করত। সঙ্গী ছিল তারই এক সহপাঠী। মাটি লেপা, রঙ করা সবটাই একসঙ্গে হাতে হাতে করত তারা। পুজোর আগে তাই সরঞ্জাম কিনতে গিয়েছিল রূপঙ্কর কোলে নামে এক ছাত্র। কিন্তু এবার আর ঠাকুর গড়া হল না। মুহূর্তে অসতর্কতায় প্রাণ হারাল রূপঙ্কর। ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয়েছে তার বন্ধু দিব্যেন্দুরও। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে দুই কিশোরের পরিবারে। পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের ভোগপুরে ট্রেনের ধাক্কায় মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

কোলাঘাট থানার ভোগপুর এলাকার কোদালিয়া এবং ভোগপুর কোলে পাড়ার বাসিন্দা ওই দুই কিশোর। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল খুবই। সবাই জানত, তারা একসঙ্গেই সব জায়গায় যেত। বৃহস্পতিবার রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার হয় রূপঙ্কর কোলে ও দিব্যেন্দু সাঁতরার দেহ।

জানা গিয়েছে, রূপঙ্করের বাবা ঠাকুর তৈরি করেন। সেই সঙ্গে রূপঙ্করও ঠাকুর তৈরিতে হাত পাকিয়েছে। বুধবার রাতে তাই সে মেছেদা গিয়েছিল ঠাকুরের গয়না কিনতে। বাড়ি ফেরার পথে লোকাল ট্রেন থেকে কানে থাকা মোবাইলের হেডফোন পড়ে যায় ভোগপুর স্টেশনের কাছে রেললাইনে। বন্ধু দিব্যেন্দুর বাড়ির কাছে ও খড়গপুর হাওড়া রেল লাইনে ধারে পড়ে যায় সেটি। সে জন্যই রূপঙ্কর পরে তার সহপাঠীকে নিয়ে মোবাইলের হেডফোন খুঁজতে গিয়েছিল বলে জানা যায়।

রাতে হাওড়া থেকে খড়গপুরগামী মুম্বই গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেসের ধাক্কায় মৃত্যু হয় ওই দুই স্কুল ছাত্রের। দুজনেই ভোগপুর কেনারাম হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। তারা বুধবার রাতে বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন আত্মীয়রা। পরের দিন সকালে মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তমলুক তাম্রলিপ্ত মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এই মর্মান্তিক জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed