মেরে রক্ত বের করে বাবার বয়সি প্রেমিক, আদিত্য পাঞ্চোলির বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর কঙ্গনার – Bengali News | Bollywood actress kangana ranaut once revealed ugly truths about her traumatic relationship with aditya pancholi

0

চিরকালই স্পষ্টভাবে কথা বলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। বাড়ির অমতে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে এসেছিলেন কঙ্গনা। তাঁর বাবা অমরদ্বীপ রানাওয়াত একেবারেই চাইতেন না মেয়ে অভিনেত্রী হোক। চণ্ডীগড়ে তারঁ জন্য লেখাপড়ার ব্যবস্থা করেছিলেন কঙ্গনার বাবা। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করার জন্য বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছিলেন কঙ্গনা। অভিনেত্রীর উপর রুষ্ট হয়ে তাঁর বাবা টাকা পয়সা পাঠানো বন্ধ করেছিল মেয়েকে। মুম্বইয়ে লড়াই করতে শুরু করেছিলেন ১৭ বছরের কঙ্গনা। সেই সময় তিনি পাশে পেয়েছিলেন অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি এবং জ়ারিনা ওয়াহাবকে। কিছু বুঝতেন না। কিছু জানতেন না কঙ্গনা। বিবাহিত বাবার বয়সি এক পুরুষ আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন সম্পর্কে।

সেই সময় মুম্বইয়ে তাঁর থাকার কোনও জায়গা ছিল না। তাই কঙ্গনাকে নিজের বাড়িতে আশ্রয় দিয়েছিলেন অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি এবং তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী জ়ারিনা ওয়াহাব। একটা সময় পর আদিত্যর সঙ্গে সম্পর্ক শুরু হয় কঙ্গনার। বলিউডে নেপোটিজ়ম সম্পর্কিত নানা ঘটনার কথা একে-একে বলতে গিয়ে তাঁর প্রাক্তনদের কথা বলছিলেন কঙ্গনা। আদিত্য পাঞ্চোলির সঙ্গে তাঁর তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও স্বীকার করে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। বলেছিলেন, “আমার বাবার বয়সি লোকটা আমার সঙ্গে যে আচরণ করেছিলেন, আজ পর্যন্ত ভুলিনি আমি। কোনওদিন ভুলবও না।”

এই খবরটিও পড়ুন

কঙ্গনা বলেছিলেন, “সময়টা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হত। সেই নির্যাতন আমাকে করেছিল আমার বাবার বয়সি প্রেমিক অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চোলি। তাঁর বিস্তারিত বিবরণ দিতে চাই না। এর কারণ, সে সব কথা শুনলে আপনাদের খুব খারাপ লাগবে। কিন্তু জানেন তো বিনা পয়সায় কেউ খেতে দেয় না। আমাকেও দেওয়া হয়নি। আমার ১৭ বছর বয়সে, আমাকে বাবার বয়সি এই লোকটা আমাকে খুব মারত। আমাকে রক্তাক্ত করে দিয়েছিল আদিত্য। আমিও তাঁকে পাল্টা চটি দিয়ে মেরেছিলাম। তাঁরও রক্তপাত হয়েছিল। পুলিশের কাছে এফআইআর করেছিলাম আমি। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনও মেন্টর ছিল না। আদিত্য পাঞ্চোলিকে আমি আমার মেন্টর বানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি হয়ে উঠেছিলেন আমার টরমেন্টর।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed