ফের ভয়ঙ্কর 14 ম্যালিশিয়াস অ্যাপের সন্ধান, এখনই না সরালে বড় বিপদ – Bengali News | Dangerous Xamalicious Malware Found In 14 Apps, Check List And Uninstall Soon

0

ম্যালিশিয়াস অ্যাপ না সরালে বড় বিপদ!

ফের একটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যাকডোর ম্যালওয়্যারের সন্ধান পেয়েছেন McAfee গবেষকরা। ম্যালওয়্যারটিক নাম ‘Xamalicious’। বিপজ্জনক এই ম্যালওয়্যার এর মধ্যেই 338,300 ডিভাইস সংক্রামিত করেছে গুগল প্লে স্টোর থেকে। 14টি অ্যাপে এই ম্যালওয়্যার দেখা গিয়েছে। সেই অ্যাপগুলি এখনও পর্যন্ত প্রায় 1 লাখেরও বেশি বার ইনস্টল করা হয়েছে। প্লে স্টোর থেকে সরানোর আগেই অ্যাপগুলি এই বিপুল সংখ্যক বার ডাউনলোড করা হয়েছিল। আপনি অ্যাপগুলিকে এখন প্লে স্টোরে দেখতে পাবেন না ঠিকই। কিন্তু আপনার ফোনে থেকে গেলে সমূহ বিপদ। তাই, অ্যাপের নাম জেনে যত দ্রুত সম্ভব আন-ইনস্টল করে দিন।

McAfee গবেষকরা দাবি করেছেন, 2020 সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই এই অ্যাপগুলি মানুষজন ডাউনলোড করে ব্যবহার করে যাচ্ছেন। আর সেই সময় থেকেই Xamalicious ম্যালওয়্যারটিও ব্যবহারকারীদের ডিভাইসের ক্ষতি করে চলেছে। এখন বাঁচার উপায় একটাই। ব্যবহারকারীদের ম্যানুয়ালি নিজেদের ডিভাইস ক্লিন করতে হবে। তার জন্য ব্যবহারকারীদের দেখে নিতে হবে, তাঁদের ডিভাইসে এখনও অযাচিত অ্যাপগুলি রয়েছে কি না। আর থাকলে যত দ্রুত সম্ভব সেগুলি সরিয়ে দেওয়া উচিত।

Xamalicious দ্বারা সংক্রামিত বেশ কয়েকটি অ্যাপ –

এই খবরটিও পড়ুন

-Essential Horoscope for Android (100,000 বার ইনস্টল)

-3D Skin Editor for PE Minecraft (100,000 বার ইনস্টল)

-Logo Maker Pro (100,000 বার ইনস্টল)

-Auto Click Repeater (10,000 বার ইনস্টল)

-Count Easy Calorie Calculator (10,000 বার ইনস্টল)

-Dots: One Line Connector (10,000 বার ইনস্টল)

-Sound Volume Extender (5,000 বার ইনস্টল)

এদিকে সংবাদমাধ্যম ANI-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, আরও 12টি ম্যালিশিয়াস অ্যাপেও Xamalicious ম্যালওয়্যারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অযাচিত থার্ড পার্টি অ্যাপ স্টোর থেকে সেই অ্যাপগুলিকে ডাউনলোড করা হচ্ছে এবং এই অ্যাপগুলি মানুষকে APK ফাইল ডাউনলোড করতে বাধ্য করছে।

Xamalicious হল একটি অ্যান্ড্রয়েড ব্যাকডোর। ডটনেট ফ্রেমওয়ার্কের উপরে ভিত্তি করেই এটি তৈরি হয়েছে। এছাড়াও এই ম্যালওয়্যারটি তৈরি করা হয়েছে ওপেন-সোর্স Xamarin ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে। ম্যালওয়্যারটি এতটাই ভয়ঙ্কর যে, সাইবারসিকিওরিটি এক্সপার্টদের কোড অ্যানালিসিস করাটাও কষ্টসাধ্য করে তুলেছে এটি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed